শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫, ১৩ চৈত্র ১৪৩১
শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫, ১৩ চৈত্র ১৪৩১

ভালো দাম না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ফুল চাষিরা

মো:মিজানুর রহমান (বিশেষ প্রতিনিধি ) প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ, ২০২৫, ১১:৪৩ পিএম | 33 বার পড়া হয়েছে
ভালো দাম না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ফুল চাষিরা

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় গাঁদা ফুলের চাষিরা বাজারে দাম না পেয়ে মাঠের পর মাঠ ফুল তুলে ফেলে দিচ্ছেন। ফুলের চাহিদা ও দাম না থাকায় চাষীরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। জেলার অন্যান্য উপজেলার মাঠেও একই চিত্র দেখা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমিতে গাঁদা ফুলের চাষ হয়েছে। উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন মাঠে কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে গাঁদা ফুলের চাষ করেছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে কিছুদিন ভালো দাম পাওয়া গেলেও বর্তমানে ফুলের দাম তলানিতে ঠেকেছে। চাষিরা তাদের উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না।

ঝিনাইদহ জেলা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুল উৎপাদনকারী অঞ্চল। জেলার কোটচাঁদপুর, কালীগঞ্জ, মহেশপুর ও সদর উপজেলায় ৪০০ হেক্টরের বেশি জমিতে গাঁদা, গোলাপ, জারবেরাসহ বিভিন্ন রকমের ফুলের চাষ হয়। এর মধ্যে ২৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে গাঁদা ফুলের চাষ হয়। রবি ও খরিপ দুটি মৌসুমেই এখানে গাঁদা ফুলের চাষ করা হয়।

সরেজমিনে কোটচাঁদপুরের মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, হলুদ ও কমলা রঙের গাঁদা ফুলে ভরা মাঠ। কিন্তু দাম না পেয়ে চাষিরা ফুল তুলে মাঠেই ফেলে দিচ্ছেন। ফুলের গাছ বাঁচাতে তারা এ কাজ করছেন।

কোটচাঁদপুর উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের নারায়ণ বাড়িয়া গ্রামের ফুল চাষি মিলন হোসেন জানান, তিনি গত ১২-১৫ বছর ধরে গাঁদা ফুলের চাষ করছেন। এ বছর ২ বিঘা জমিতে গাঁদা ফুলের চাষ করেছেন। চাষ করতে এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু ফুলের দাম না পাওয়ায় তার খরচ উঠানোর কোনো লক্ষণ নেই।

তিনি বলেন, ‘সারা মৌসুমে যদি আমরা ফুল বিক্রি করতে পারতাম, তাহলে ২-৩ লাখ টাকা বেচা সম্ভব হতো। ভালো লাভ হতো।’

কোটচাঁদপুরের একরা গ্রামের কৃষক আনছার রহমান দেড় বিঘা জমিতে গাঁদা ফুলের চাষ করেছেন। তিনি জানান, ফুল তোলা, মালা গাঁথা ও পরিবহন খরচ মিলে প্রতি ঝুপ্পা ফুলের খরচ পড়ে ২৭ টাকা। কিন্তু এমন দামেও ফুল বিক্রি হচ্ছে না। অথচ ভালো দাম পেলে প্রতি ঝুপ্পা ফুল ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়।

ফুলচাষি আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমরা জমি থেকে ফুল তুলে ঝুপ্পা গাঁথি। এরপর তা ঢাকাগামী বাসে তুলে দিতাম শাহবাগ মার্কেটের জন্য। তারা বিক্রি করে বিকাশ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেন। কিন্তু এবার বড় ধরনের লোকসান হয়েছে।’

গান্না ফুল বাজার প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম দাউদ হোসেন জানান, মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় ফুলের মান কিছুটা কমে যায়। এ ছাড়া রমজান শুরু হওয়ায় তেমন অনুষ্ঠান না থাকায় ফুলের চাহিদা কমে গেছে।

কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘এ উপজেলার সব ইউনিয়নে কম-বেশি ফুলের চাষ হয়ে থাকে। ফুলের প্রকৃত মৌসুম জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস। ওই সময় ফুল উঠলে চাষিরা দাম ভালো পায়। এখন বাজারে ফুলের চাহিদা কম থাকায় দামও কম।’

জেলা ফুলচাষি সমিতির সভাপতি জামির হোসেন বলেন, ‘সিজন জুড়ে জেলায় গাঁদা ফুলসহ অন্যান্য ফুল মিলে ১০০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়। উৎসবগুলোতে গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা ও গোলাপ ফুল বেশি বিক্রয় হয়। কিন্তু এবার চাষিরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।’

ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর-গান্না বাজার ফুল বিপণন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এবার নতুন করে অনেক চাষি ফুল চাষ করছেন। ঝিনাইদহে যদি ফুল সংরক্ষণ কেন্দ্র (কোল্ড স্টোরেজ) থাকত, তাহলে দাম কমের সময় সেখানে ফুল রাখার পর দাম বাড়লে বিক্রি করতে পারতেন।

র‍্যাবের মানবিক উদ্যোগে ঈদের জামা কেনা হবে কুষ্টিয়ার এতিম মাদ্রাসা ছাত্র আবদুল্লাহর

সকালের বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৩:৫৯ এএম
র‍্যাবের মানবিক উদ্যোগে ঈদের জামা কেনা হবে কুষ্টিয়ার এতিম মাদ্রাসা ছাত্র আবদুল্লাহর

কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের গোবিন্দগুনিয়া গ্রামের দারুল উলুম কওমিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোডিংয়ের এক সুবিধাবঞ্চিত অসহায় শিক্ষার্থী ছোট্ট ছেলে শিশু আব্দুল্লাহ ইবনে সাফি। বাবা -মা থেকেও যেনো নেই তার কেউ। এতিম ওই মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল্লাহ কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার মির্জানগর এলাকার এক হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। গত ছয় মাস আগে এই মাদ্রাসা ও এতিমখানায় রেখে গেছেন তার মা। তারপর কেটে গেছেন পুরো ছয় মাস। মায়ের সাথে আর দেখা হয়নি শিশু আব্দুল্লাহর। বর্তমানে আব্দুল্লাহর একমাত্র মাথাগোজার ঠাই এই মাদ্রাসা। পুরনো একটি পাঞ্জাবী ও পুরনো টুপি পরেই প্রতিদিন মক্তবে পড়তে বসতে হয় আব্দুল্লাহকে । পরনের পায়জামাটাও এক সহপাঠির কাছ থেকে নেওয়া। শুধু তাই নয় আব্দুল্লাহ চর্ম রোগে আক্রান্ত। অসুস্থ অবস্থায় সে দিনপার করছে। তার চিকিৎসার ব্যবস্থার খরচ চালানোর মত কেউ নেই। মাদ্রাসার খরচেই কোন রকম চলছে তার পড়ালেখা। ঈদে নতুন পোশাক দেওয়ার মত কেউ নাই তার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মিডিয়ায় এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয় আব্দুল্লাহর। যেখানে লেখা ছিলো এবারও ঈদের জামা কেনা হবে না আবদুল্লাহর। ভিডিওটি র‍্যাব হেড কোয়ার্টারের উর্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টিগোচর হলে তার ঈদের পোশাক কিনে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় র‍্যাব ফোর্স।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) রাতে র‍্যাব হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে র‍্যাব-১২ সিপিসি-১ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার কামরুল ইসলাম সহ র‍্যাবের একটি টিম মিরপুরের কওমিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোডিংয়ে পৌছায়। সেখানে এতিম মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল্লাহকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন এবং তার ঈদের জন্য নতুন পোশাকের মাপ নিয়ে আসে। পরদিন তার ঈদের পোশাক পৌছিয়ে দেওয়া সহ তার সুস্থতার জন্য চিকিৎসার দায়িত্ব নেন র‍্যাব কুষ্টিয়া।

এবিষয়ে র‍্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার কামরুল ইসলাম জানান, র‍্যাব হেডকোয়ার্টারের নির্দেশে আমরা এতিম মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল্লাহকে সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেছি। তার ঈদের পোশাকের জন্য দর্জি দিয়ে মাপ নিয়ে আসা হয়েছে৷ আগামীকাল আমরা তার জন্য ঈদের পোশাক দিয়ে আসবো। এছাড়াও ছেলেটি অসুস্থ, রোগে আক্রান্ত তাই র‍্যাব কুষ্টিয়ার পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার জন্য দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে।

আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে কুষ্টিয়ায় মানববন্ধন

সকালের বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ৫:০৯ পিএম
আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে কুষ্টিয়ায় মানববন্ধন

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকর ও পলাতক আসামিদেরকে গ্রেফতারপূর্বক বিচার সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা স্কুলের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন জেলা স্কুলের প্রাক্তন, অধ্যয়নরত ছাত্র ও অভিভাবকবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করতে হবে। আদালতের দেওয়া রায়ে ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করা হলেও এখনো চারজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক। তাদের দ্রুত গ্রেফতার না করা বিচার ব্যবস্থার প্রতি চরম অবহেলার প্রমাণ। বিশেষ করে মুনতাসির আল জেমির কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রশাসনিক ব্যর্থতার নজির।

এসময় মানববন্ধনে শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ (বুলু), ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. শামিম উল হাসান অপুসহ কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সেখানে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং রায় বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-নেত্রীর মদের আড্ডার ভিডিও ভাইরাল

মো:মিজানুর রহমান(বিশেষ প্রতিনিধি) প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ৯:৩৭ এএম
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-নেত্রীর মদের আড্ডার ভিডিও ভাইরাল

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝিনাইদহ জেলা শাখার সদস্যসচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলমা খাতুনের মদের আড্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টির পর তাদের পদ স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হুরাইরা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদ স্থগিতের কথা জানানো হয়। একইসঙ্গে বিষয়টি তদন্তে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝিনাইদহ শাখার সদস্যসচিব সাইদুর রহমান ও মুখপাত্র এলমা খাতুনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটি নিয়ে শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।

ভিডিওটির ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের। এতে দেখা যায়, এলমা খাতুন একটি কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন এবং তার সঙ্গে থাকা ব্যাগটি খাটের ওপর রেখে বসেন। ওই খাটের পাশে শুয়ে ছিলেন সাইদুর রহমান। এরপর সাইদুর একটি কম্বল বিছিয়ে শুয়ে পড়েন। এলমা খাতুন ফোন ব্যবহার করতে থাকেন। তারপর একটি মদভর্তি বোতল হাতে নেন। হাতে কয়েকটি ওয়ান টাইম গ্লাসও দেখা যায়।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু হুরাইরা বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরালের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পদ স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিষয়টি তদন্তে ৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ওই কক্ষে আরও অনেকে ছিল। তাদের মধ্য থেকে একজন ভিডিওটি ধারণ করে ছড়িয়ে দিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

এদিকে, ভিডিওটির বিষয়ে মুখপাত্র এলমা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে সদস্যসচিব সাইদুর রহমান বলেন, “গেল বছরের অক্টোবরে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ঢাকা গিয়েছিলাম। সেখানে আপুর হাতে কী ছিল, সেটা আমি ঠিক বুঝতে পারিনি। কেউ শত্রুতাবশত এই কাজটি করেছে। আমাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে।”

এ বিষয়ে জেলা সুজনের (সুশাসনের জন্য নাগরিক) সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু বলেন, “ভিডিওটি যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে এটি খুবই দুঃখজনক। তাদের কাছ থেকে এটা আমরা প্রত্যাশা করি না। তবে কেন, কী কারণে, কারা ভিডিওটি করেছে এবং তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, সেটি খুঁজে বের করা জরুরি।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১০৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেল এই কমিটি অনুমোদন করেন। ছয় মাসের জন্য তাদের এই কমিটি অনুমোদন করা হয়।

এ কমিটিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু হুরাইরাকে আহ্বায়ক, কেসি কলেজের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমানকে সদস্যসচিব, সাজেদুর রহমানকে মুখ্য সংগঠক এবং ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী এলমা খাতুনকে মুখপাত্র করা হয়। এ ছাড়া ১৩ জন যুগ্ম আহ্বায়ক, ১৩ জন যুগ্ম সদস্যসচিব, ৯ জন সংগঠক ও ৬৪ জন সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।